Latest

বাংলাদেশ রাজনীতি

‘হাসিনা কার্ড’ খেলে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সম্ভব নয়: সালাহউদ্দিন

ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ভারত একদিকে ‘হাসিনা কার্ড’ খেলবে, অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাইবে—এ দুটি অবস্থান পরস্পরবিরোধী। তিনি বলেছেন, পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা ও সমান সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায় বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ সুগম করছেন কিনা- ভেবে দেখার আহ্বান 

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে কেউ কেউ অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি করে তারা নিজেদের অজান্তেই পতিত ও পরাজিত স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের পথ তৈরি করছেন কি না, তা ভেবে দেখা প্রয়োজন।

জামায়াত-জোট বিতর্কের জের, নতুন দল গঠনের প্রস্তুতিতে এনসিপি ত্যাগীরা

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটে যোগ দেওয়ার পর থেকে দলটির অভ্যন্তরে যে ভাঙন শুরু হয়েছিল, তার ফলাফল এখন নতুন মোড় নিচ্ছে বলে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। সূত্র বলছে, এনসিপি ছেড়ে আসা নেতা, কিছু জুলাই যোদ্ধা এবং ছাত্রনেতাদের একটি অংশ গোপনে নতুন একটি রাজনৈতিক সংগঠন গঠনের প্রক্রিয়া অনেকটাই এগিয়ে নিয়েছেন।

৩২ জুলাই: গণশোক, শহীদ স্মরণ এবং জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের দিন

৩২ জুলাই, বা ১ আগস্ট ২০২৪, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম প্রতীকী ও নির্ণায়ক একটি দিন। কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন তখন নতুন মোড় নিয়েছে। এই দিনটিতে শহীদদের স্মরণে দেশজুড়ে পালিত হয় “Remembering Our Heroes” কর্মসূচি; ডিবি হেফাজত থেকে ছয় শীর্ষ আন্দোলন সংগঠকের মুক্তি ঘটে; আর সরকার প্রশাসনিকভাবে কৌশল বদলের পথে হাঁটতে শুরু করে—একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার গেজেট জারি হয়।

জুলাই অভ্যুত্থান কার সম্পত্তি? গণতন্ত্র নাকি মৌলতন্ত্রের?

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়েছে। একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার ছয় মাসও পূর্ণ হয়নি। এই স্বল্প সময়ে দেশের ভগ্ন অর্থনীতি, দুর্নীতি, এবং বিভিন্ন খাতের অনিয়ম মেরামত করতে সময় লাগবে—এটি স্বাভাবিক। কিন্তু সময় দেওয়ার আগেই রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার এক অপচেষ্টা চলছে। কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী নিজেকে জুলাই অভ্যুত্থানের “নায়ক-হিরো” দাবি করে দেশে মব সৃষ্টি, অস্থিতিশীলতা, এবং গণতন্ত্রবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

জুলাই সনদ নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই সংস্কারবিরোধিতা নয়

একটি রাষ্ট্র যখন বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, তখন শুধু ক্ষমতার পালাবদলই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন হয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করা। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতাও সেই প্রয়োজনের সামনে দাঁড়িয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, নির্বাচনব্যবস্থা, সাংবিধানিক কাঠামো এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, তার কেন্দ্রে উঠে এসেছে জুলাই সনদ।